৪ প্রতিষ্ঠানের পরিচালকের শেয়ার বিক্রির ঘোষণা

৬/০৬/২০১৩ ১২:৩০:০০ AM |
শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ৪ কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক নিজ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। এগুলো হলো- ওয়ান ব্যাংক, প্রাইম ফাইন্যান্স, ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও ন্যাশনাল হাউজিং। 

ওয়ান ব্যাংকের পরিচালক মিসেস ফরহাত ইয়াসমিন তার হাতে থাকা এ প্রতিষ্ঠানের ১ কোটি ২৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৭৫টি শেয়ারের মধ্যে ৬ লাখ শেয়ার বর্তমান বাজার দরে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। 

প্রাইম ফাইন্যান্সের করপোরেট উদ্যোক্তা মওসন্স লিমিটেড হাতে থাকা এ প্রতিষ্ঠানের ৭২ লাখ ৫৪ হাজার ৭৫২টি শেয়ারের মধ্যে ৫ লাখ শেয়ার বর্তমান বাজার দরে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। 

ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের উদ্যোক্তা এস কে আবদুল মোমিন হাতে থাকা এ প্রতিষ্ঠানের ৯৫ হাজার ৫৪৬টি শেয়ারের মধ্যে ১০ হাজার শেয়ার বর্তমান বাজার দরে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন। 

ন্যাশনাল হাউজিংয়ের উদ্যোক্তা মানিক মিয়া হাতে থাকা এ প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ৫৫ হাজার ১০০টি শেয়ারের মধ্যে ৭৫ হাজার শেয়ার বর্তমান বাজার দরে আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বিক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।
Read more…

ওরিয়ন গ্রুপ এবং ABN Amro Bank NV -এর মধ্য চুক্তি সম্পাদন

৬/০৬/২০১৩ ১২:২১:০০ AM |
ওরিয়ন গ্রুপ ও বিশ্বখ্যাত ডাচ্ ব্যাংক ABN Amro Bank NV -এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় গত ৪ জুন। ওরিয়ন গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে স্বাক্ষরিত এই চুক্তি অনুযায়ী ওরিয়ন গ্রুপের ৬৬০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অর্থায়নে মূল সমন্বয়কারী হিসেবেABN Amro Bank NV কাজ করবে। 

ওরিয়ন গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সালমান ওবায়দুল করিম এবংABN Amro Bank NV -এর পক্ষে মি. আরউইন জুন এবং মি. আরন্উড স্প্রেনজার্স এই স্বারক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ওরিয়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ ওবায়দুল করিম ও অন্যন্য উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা বৃন্দ। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক এই প্রকল্পে অর্থায়নে আগ্রহ প্রকাশ করলেও ৪০০ বিলিয়ন ইউরোর অধিক অর্থায়ন ক্ষমতা সম্পন্নABN Amro Bank NV কে এই প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য সবচেয়ে বেশি উপয্ক্তু হিসেবে নির্বাচন করে ওরিয়ন গ্রুপ। 

এই প্রকল্পের মূল যন্ত্রাংশগুলি ক্রয় করা হবেGE USA, DOOSAN KOREA এবংALSTOM FRANCE হতে। ABN Amro Bank NV এই কাজে অর্থায়নের সহায়তা করার দরুন যন্ত্রাংশ প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলোর নিজ নিজ দেশেরCredit Agency (ECA) এবং অর্থায়নে ইচ্ছুক বৈদেশিক ব্যাংকগুলির সঙ্গে কাজ করে থাকবে। ওরিয়ন গ্রুপ একান্তভাবে বিশ্বাস করে যে, এই চু্ক্তি স্বাক্ষর জাতীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সকল প্রকল্পের সফল সম্পাদনে একান্ত সহায়তা প্রদান করবে এবং একইভাবে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে বৈদেশিক অর্থায়নের পথ আরও সুগম করবে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
Read more…

অর্থনীতির বেশির ভাগ সূচকে পিছিয়ে সরকার : সিপিডি

৬/০৪/২০১৩ ০৮:৩১:০০ PM |
চলতি অর্থবছর অর্থনীতির বেশিরভাগ সূচকই সঠিকভাবে চলছে না বলে মনে করছে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (সিপিডি)। সংস্থার মতে, ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সরকার যেসব লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সে লক্ষ্যমাত্রা থেকে অনেক পিছিয়ে রয়েছে। জিডিপি প্রবৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বেসরকারি বিনিয়োগসহ অনেক সুচকে কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশয় রয়েছে। গতকাল সোমবার সংস্থাটির নিজস্ব কার্যালয়ে আয়োজিত 'বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বর্তমান চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।


সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে চলতি বছর জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তা অর্জিত হবে না। এছাড়া কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি অর্জনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা-ও অর্জিত হবে না। বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কমে যাওয়ায় অর্থনৈতিক দুর্বলতা প্রকাশ পাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গত বছরের চেয়ে চলতি বছর বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এক শতাংশ কম হয়েছে। গত বছর এ হার ২০ শতাংশ থাকলেও চলতি বছর তা কমে ১৯ শতাংশ হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধিও কমে (মার্চ পর্যন্ত) ১২.৭ শতাংশে নেমে এসেছে। অথচ চলতি বছর বেসরকারি খাতে ১৮ শতাংশ ঋণ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল।

তিনি বলেন, সরকারি বিনিয়োগ তুলনামূলক ভালো হয়েছে। ৬.৯ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে সরকারি বিনিয়োগ ৭.৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এছাড়া গত নয় মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কমূসূচি ৪৯ শতাংশ বাস্তবায়িত হয়েছে। এবছর এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা উচ্চাকাঙ্খি ছিল। বছর শেষে এনবিআর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে তিন থেকে চার হাজার কোটি টাকা পিছিয়ে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় বলেন, ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ গত ছয় বছরের মধ্যে এবার সর্বনিম্ন। এছাড়া অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় বাড়ছে না। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ২০১৫ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার যে আকঙ্খা রয়েছে, আমরা সেখানে যেতে পারছি না। তিনি বলেন, ঘাটতি বাজেট মেটাতে সরকারের ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বেড়েছে। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা বেশি ঋণ নেয়া হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমার কারণে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর দিকে নজর দেওয়ার আহবান জানান মোস্তাফিজুর রহমান।

কুইক রেন্টালের বিরোধিতা করে ড. মোস্তাফিজ বলেন, একদিকে সরকার ভর্তুকি দিচ্ছে।
Read more…

ঝুঁকিতে পড়বে অর্থনীতি : উচ্চাভিলাষী রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনা

৬/০৪/২০১৩ ০৮:১৩:০০ PM |
আগামী অর্থবছরের জন্য বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়া হয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর)। অথচ রাজস্ব আদায়ে গতিশীলতা আসবে- এমন উদ্যোগ নেই রাজস্ব-সংক্রান্ত প্রস্তাবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সার্বিক বিচারে আসছে অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ে এনবিআরের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে না। ঘাটতি রাজস্বের ফলে সরকারের ঋণ বাড়বে, উন্নয়ন কার্যক্রম অসমাপ্ত রাখতে বাধ্য হবে। পদ্মা সেতু নির্মাণে থাকবে স্থবিরতা। সরকারের আয়-ব্যয়ে ভারসাম্য নষ্ট হবে। এতে সামষ্টিক অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়বে।


আগামী অর্থবছরের জন্য এনবিআরের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এনবিআর অর্থ মন্ত্রণালয়কে লিখিতভাবে জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের শেষ সময় পর্যন্ত এনবিআরে প্রায় দুই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি থাকার সম্ভবনা রয়েছে। তাই আগামী অর্থবছরে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিবেচনায় রেখে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কমানো দরকার। এ ক্ষেত্রে রাজস্ব এক লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা আদায় সম্ভব হবে। এনবিআরের মত অনুযায়ী রাজস্ব লক্ষ্য নির্ধারিত না হলে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা।

চলতি অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা এক লাখ ১২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে (প্রথম ১০ মাসে) ঘাটতি রয়েছে চার হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা। এমন পরিস্থিতিতেও এনবিআরের প্রস্তাবে ভিন্ন মত জানিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় নিজস্ব সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। চলতি অর্থবছরের তুলনায় আসছে বাজেটে লক্ষ্যমাত্রা ২৩ হাজার ৭৪১ কোটি টাকা বেশি ধরা হয়েছে। যার অর্থ আগামীতে রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধি ২৩.১৪ শতাংশ।

নির্বাচনের আগের বাজেট হওয়ায় ভোটার তুষ্টিই সরকারের লক্ষ্য। আগামী অর্থবছরে পদ্মা সেতুতে অর্থায়নের ভার চাপিয়ে বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা প্রস্তাব হলেও আরোপ হচ্ছে না নতুন কর। মূসক ও শুল্ক-সংক্রান্ত অধিকাংশ রাজস্ব নীতিতেও থাকছে চলতি বারের ধারা।

আগামী অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা ২০ হাজার টাকা বাড়িয়ে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হচ্ছে। মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানিতে শুল্ক ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা হয়েছে। অপ্রদর্শিত অর্থ ও কালো টাকা ১০ শতাংশ জরিমানাসহ সাদা করার সুযোগ থাকছে আগামীতেও। অপ্রয়োজনীয় ও বিলাস পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করতে আগামী বাজেটেও শুল্ক স্তর চলতিবারের ধারাবাহিকতায় রয়েছে। এর সঙ্গে ৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্কসহ আমদানি পর্যায়ের অন্যান্য শুল্ক অপরিবর্তিত থাকছে। থাকছে ১৮টি শিল্প খাতে কর অবকাশ সুবিধা। আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবে নতুন তিন লাখ কর দাতাকে যুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অথচ এনবিআরের দুর্বল প্রসাশনিক কাঠামো শক্তিশালীকরণে কোনো সুনির্দৃষ্ট প্রস্তাব নেই ।

আসন্ন বাজেটে আয়কর আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৮ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে এ হিসাব ৩৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা। আয়কর আদায়ে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৩৭ শতাংশ।

আগামী অর্থবছরের জন্য আয়কর, মূসক ও শুল্ক আদায়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মূসক আদায়ে হিসাব কষা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ২৬.২৪ শতাংশ। ৫১ হাজার কোটি টাকার মূসক আদায়ে প্রস্তাব রয়েছে আসন্ন বাজেটে। চলতি অর্থবছরে মূসক খাতে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৪০ হাজার ৪৪৬ কোটি টাকা।

নতুন বাজেটে ৩৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকার শুল্ক আদায়ে প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে তা ছিল ৩৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা।

আসন্ন বাজেটে রাজস্ব আদায়ের সার্বিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ কালের কণ্ঠকে বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের অর্থ সংগ্রহের দায় থাকায় এনবিআরের রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি ধরা হয়েছে। অথচ নতুন করারোপ করা হয়নি। করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোয় রিটার্নধারীর সংখ্যা কমার আশঙ্কা রয়েছে। আবার নির্বাচন সামনে থাকায় রাজনৈতিক সহিংসতা কমার সম্ভাবনা নেই বরং বাড়ার আশঙ্কা থাকছে। এতে আমদানি কমবে, ব্যবসা-বাণিজ্যে স্থবিরতা নামতে পারে। কলকারখানায় স্বাভাবিক উৎপাদন ব্যাহত হবে। সার্বিক পরিস্থিতি বিচারে রাজস্ব আদায় কমবে। তাই এনবিআরের ওপর এত বড় অঙ্কের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য চাপিয়ে দেওয়ায় অর্থনীতি ঝুঁকিতে পড়বে।

আব্দুল মজিদ বলেন, রাজস্ব ব্যয় কমানো সম্ভব হবে না। তাই ঘাটতি রাজস্বে উন্নয়ন ব্যয় কমাতে বাধ্য হবে সরকার। এতে উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে থাকবে স্থবিরতা। এমন পরিস্থিতিতে পদ্মা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা ব্যহত হবে। আগামী অর্থবছরের রাজস্ব আদায়ে বড় অঙ্কের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করায় অর্থনীতিতে আয়-ব্যয়ের হিসাবে ভারসাম্য নষ্ট হয়েছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠান বিআইডিএসের মহাপরিচালক অর্থনীতিবিদ মোস্তফা কে মুজেরী কালের কণ্ঠকে বলেন, চলতি বছরের তুলনায় ২৩ শতাংশ বেশি রাজস্ব আদায়ের সিদ্ধান্ত বাস্তবতা বিবর্জিত, উচ্চ বিলাসী পরিকল্পনা। চলতি বারের ধারাবাহিকতায় আগামীতেও রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে সরকার আরো বেশি ঋণ-নির্ভর হয়ে পড়বে। বৈদেশিক ঋণ পাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকায় অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ঋণ গ্রহণে বাধ্য হবে সরকার। এতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবাহ কমে যাবে। ফলে বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। এভাবে সরকারের উচ্চ রাজস্ব আদায়ের পরিকল্পনায় সামষ্টিক অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে।
Read more…

ডিএসইর সফটওয়্যার ত্রুটিতে লেনদেন বিপর্যয়ের আশঙ্কা : বিএসইসির তদন্ত প্রতিবেদন

৬/০৪/২০১৩ ০৮:০৬:০০ PM |
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) শেয়ার লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত এমএসএ প্লাস সফটওয়্যারের ত্রুটিতে বিপর্যয়ের আশঙ্কা করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। এতে লাখো বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে এক তদন্ত প্রতিবেদনে এমন আশঙ্কা করা হয়।

গত বছরের ১০ জুন এমএসএ প্লাস সফটওয়্যার চালুর পর থেকে ডিএসইতে লেনদেন নিয়ে বিভিন্ন সময় সমস্য তৈরি হয়। তাতে নতুন কম্পানির শেয়ার লেনদেন শুরুর দিনে সামগ্রিক লেনদেন শুরু করতে আধঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হয়। এ ঘটনার কারণ উদ্ঘাটনে গত ২৪ মার্চ তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে বিএসইসি। কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক (এসআরএমআইসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম। কমিটি সম্প্রতি তদন্ত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছে বলে জানা গেছে। প্রতিবেদনে এমএসএ প্লাস সফটওয়্যারের নানা ত্রুটি ও দুর্বলতা বেরিয়ে এসেছে। এই সফটওয়্যারের সর্বাধিক শেয়ার ধারণ ক্ষমতার অভাব, নতুন কম্পানির লেনদেনের শুরুর দিন ক্রয়-বিক্রয় আদেশ সম্পন্ন না হওয়া, ব্রোকারেজ হাউসে লেনদেনে সমস্যা, সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ রিপ্রেজেনটেটিভের কারিগরী ও দক্ষতার অভাব এবং ডিএসইর সাবধানতার অভাব রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সফটওয়্যারের সমস্যার জন্য ডিএসই নির্মাতা প্রতিষ্ঠানকে চুক্তি অনুযায়ী অর্থ পরিশোধ স্থগিত রেখেছে বলেও তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এমএসএ প্লাসের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো বড় লেনদেনের ক্ষেত্রে কার্যকরভাবে সমর্থন দিতে না পারা। এ সফটওয়্যারটির আরো একটি সীমাবদ্ধতা হলো সংকেত না দেওয়া। বিশেষ করে নতুন কম্পানি বাজারে আসার দিনে বড় আকারের লেনদেনের ক্ষেত্রে সংকেত দিতে পারে না। এ সমস্যা সঠিকভাবে এবং জরুরি ভিত্তিতে সমাধান করতে না পারলে বড় লেনদেনের ক্ষেত্রে পুরো মার্কেটে বিপর্যয় ঘটতে পারে। প্রতিবেদনে যেসব সমস্যা ও দুর্বলতা চিহ্নিত করা হয়-

সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতার অভাব : ডিএসইর সদস্যভুক্ত ২৫০টি ব্রোকারেজ হাউসের পাঁচ হাজার ট্রেডিং ওয়ার্ক স্টেশন থেকে প্রতিদিন সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ শেয়ার লেনদেন করার ক্ষমতা রয়েছে সফটওয়্যারটির। কিন্তু পরীক্ষামূলকভাবে তা কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই করা হয়নি। যা একেবারেই বাস্তব সম্মত হয়নি। প্রতিবেদনে বলা হয় পরীক্ষামূলকভাবে যে মক-ট্রেড করা হয়েছিল, তাতে ২০৯টি ব্রোকারেজ হাউসের মাধ্যমে দুই হাজার ৬৭টি ডাব্লিউএস লগইন করা হয়। একই সঙ্গে এক লাখ ৩৫ হাজার ৩৮৬টি ক্রয়-বিক্রয়ের অর্ডার বা আদেশের মধ্যে এক লাখ ১১ হাজার ২৩৯টি শেয়ার লেনদেন সম্পন্ন হয়। ডিএসইর বিবেচনায় সর্বশেষ পরীক্ষামূলক প্রস্তুতিতে বা মক ট্রেডিংয়ের সময়ে এমএসএ প্লাস সফটওয়্যারের কাজ সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ কম হয়েছে।

নতুন কম্পানির লেনদেনের শুরুর দিনে সমস্যা : ওই সময়ে ডিএসইর মোট শেয়ার লেনদেনের পরিমাণ প্রায় এক লাখ কমে যায়। ফলে বাজারে গত ৫ ও ৯ ডিসেম্বর যে দুটি নতুন কম্পানির লেনদেন শুরু হয়, তাতে এমএসএ প্লাস কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি।

ব্রোকারেজ হাউসের সমস্যা : গত বছরের ১০ জুন এমএসএ প্লাস চালু করার পর ব্রোকারেজ হাউসগুলোর পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা চিহ্নিত করা হয়। যা ডিএসই স্বীকার করেছে। এ সমস্যার মধ্যে রয়েছে- 'অপারেশন এরোর' ও 'টার্মস অব পারফরমেন্স'।

ক্যামব্রিজ রিপ্রেজেনটেটিভের কারিগরী ও দক্ষতাগত সমস্যা : নতুন এ সফটওয়্যারটির নকশা, কোডিং, ফাইন টিউনিংসহ বিভিন্ন ত্রুটি-বিচ্যুতি যাচাই-বাছাইয়ের দরকার ছিল। কিন্তু অসংখ্য ত্রুটি-বিচ্যুতি সমাধান না করেও চালু করে ডিএসই।

Read more…

মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই এমবি ফার্মার

৬/০৪/২০১৩ ০৭:২৫:০০ PM |
অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণ জানতে চেয়ে  গত ০৩.০৬.২০১৩ তারিখে সিএসই-র দেয়া কোয়ারির জবাবে কোম্পানিটি জানিয়েছে তাদের কাছে কোন মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। 

গত ৭ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়েছে প্রায় ১০৭টাকা। গত ২৬শে মে কোম্পানিটির শেয়ারের ক্লোজিং দাম ছিল ১৯০ টাকা। আর এই ৭ কার্যদিবসে টানা দাম বেড়ে শেয়ারের দাম আজকে ২৯৭ টাকা। 
Read more…

এনসিসি ব্যাংকের বোনাস শেয়ার বিওতে পাঠানো হয়েছে

৬/০৪/২০১৩ ০৬:৪২:০০ PM |
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের এনসিসি ব্যাংক ২০১২ সালের ঘোষিত বোনাস শেয়ার সংশ্লিষ্ট শেয়ারহোল্ডারগণের বিও অ্যাকাউন্ট এ পাঠিয়ে দিয়েছে।

২০১২ সালের জন্য ব্যাংকটি শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০% স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে। গত ২৭শে মে ২০১৩ তারিখে কোম্পানীতির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Read more…

সাড়ে ৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন

৬/০৪/২০১৩ ০৬:২৬:০০ PM |
শেয়ারবাজার উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুন:অর্থায়নের ঘোষণার পর থেকে ক্রমেই উন্নতির দিকে এগুচ্ছে দেশের শেয়ারবাজার। প্রতি কার্যদিবসেই বাড়ছে সূচক ও লেনদেনের পরিমাণ। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন সাড়ে ৪ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ লেনদেন হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬১১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। যা ডিএসইর ১৫২ কার্যদিবস বা ৪ মাস ১০ দিনে মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ডিএসইতে গত বছরের ১৪ অক্টোবর লেনদেন হয়েছিলো ৬৯১ কোটি ৪২ লাখ টাকার। ডিএসইতে শেষ ৩০ মিনিটে লেনদেন হয়েছে ১১১ কোটি টাকার। অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) আজ লেনদেন বেড়েছে। সিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪ কোটি ২৮ লাখ টাকার। এর আগে সিএসইতে গত ২০ মে লেনদেন হয়েছিলো ৫৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকার।

এদিকে আজ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্রোড ইনডেক্স ০.৪৮ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৩৯৭৪ পয়েন্টে আর সাধারণ সূচক (পুরাতন) ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪২২২ পয়েন্টে। ডিএসইতে মোট ২৮৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৮টি কমেছে ১৫৯টি আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টি কোম্পানির শেয়ারের। 
আর চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ৬ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৭৮৩৬ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট ২০৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৬৬টির, কমেছে ১২৬টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১২টি কোম্পানির শেয়ারের।
Read more…

মেঘনা সিমেন্টের ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ অনুমোদন

৬/০৩/২০১৩ ০৮:৩৮:০০ PM |
মেঘনা সিমেন্টের এজিএম-এ উপস্থিত কর্মকর্তারা 

মেঘনা সিমেন্ট ২০১২ সালে নিট মুনাফা করেছে ১৪ কোটি ১৩ লাখ টাকা, যা ২০১১ সালের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি। কম্পানির সততা ও দক্ষতায় ব্যবস্থাপনার কারণে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মেঘনা সিমেন্টের পরিচালক মাহবুব মোরশেদ হাসান। গতকাল রবিবার মংলা শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত মেঘনা সিমেন্টের ২১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।


মাহবুব মোরশেদ হাসান আরো বলেন, বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সিমেন্ট শিল্প একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছে। এর পরও মেঘনা সিমেন্ট সাফল্যের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে আরো অনেকদূর এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে। মেঘনা সিমেন্টের এ পথচলা সম্ভব হয়েছে সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচষ্টো ও দেশবাসীর আস্থার কারণে। আমরা আরো অনেকটা পথ চলতে চাই। বিগত সময়ের মতো সহযোগিতার হাত অব্যাহত রাখার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।


মাহবুব মোরশেদ হাসান বলেন, বিশ্বের বৈরী অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতেও ২০১১ সালের চেয়েও দ্বিগুণ ব্যবসা করতে সক্ষম হয়েছে। মেঘনা সিমেন্ট ২০১১ সালে নিট মুনাফা করেছিল ছয় কোটি ৬৫ লাখ ১৯ হাজার ৭৬৯ টাকা। তিনি বলেন, দেশের সিমেন্ট শিল্পের শীর্ষস্থানীয় এ কম্পানিটি ২০১২ সালে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে বিশাল অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। এ বছর কম্পানিটি রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিয়েছে ১৫৪ কোটি ২৮ লাখ টাকা, যা এর আগের বছর ২০১১ সালের চেয়ে প্রায় আট কোটি টাকা বেশি। তিনি বলেন, Èআমরা সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থরক্ষায় সচষ্টে ছিলাম ও আছি। যে কারণে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও লভ্যাংশ দেওয়া হয়েছে ২৫ শতাংশ। গত বছরও ২৫ শতাংশ প্রদান করেছিল মেঘনা সিমেন্ট মিলস।


সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ৬ দশমিক ২৮ টাকা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৩৩ দশমিক ৮১ টাকা বলে জানান মাহবুব মোরশেদ হাসান। অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন নিরপেক্ষ পরিচালক খাজা আহমেদুর রহমান, খন্দকার মিজানুর রহমান, পরিচালক ময়নাল হোসেন চেৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব উজ-জামান ও আশরাফ হোসেন মণ্ডল। শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীর আলম, শাহেদ আলী, বিশ্বজিত্ ঘোষ, আমির হোসেন প্রমুখ।


উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠানে ২০১২ সালের আয়-ব্যয় উপস্থাপন করা হলে কণ্ঠভোটে তা অনুমোদিত হয়। পর্যায়ক্রমে ২৫ শতাংশ লভ্যাংশ, পরিচালক পুনর্নিয়োগ, অডিটর নিয়োগের প্রস্তাব করা হলে তা সর্বসম্মতভাবে কণ্ঠ ভোটে পাস করে দেন শেয়ারহোল্ডাররা।


প্রসঙ্গত, ১৯৯২ সালে মংলা শিল্পাঞ্চলে স্থাপিত হয় মেঘনা সিমেন্ট মিলস। বাণিজ্যিকভাবে উত্পাদন শুরু করে ১৯৯৬ সালে। ঢাকা স্টক একচেঞ্জে ১৯৯৫ সালে ও চট্টগ্রাম স্টক একচেঞ্জে ১৯৯৬ সালে তালিকাভুক্ত হয়। ২০১২ সালে মেঘনা সিমেন্ট ৯ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন সিমেন্ট উত্পাদন করেছে। এর উত্পাদন সক্ষমতা রয়েছে প্রায় ১০ লাখ টন।
Read more…

সাউথইস্ট ব্যাংকের পরিচালকের শেয়ার ক্রয়ের ঘোষণা।

৬/০৩/২০১৩ ০৪:২৪:০০ PM |
সাউথইস্ট ব্যাংকের উদ্যোক্তা পরিচালক মিস রেহানা রহমান প্রতিষ্ঠানের ২,৪০,০০০ শেয়ার প্রচলিত বাজার দরে আগামী ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জ এর মাধ্যমে ক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছেন।
Read more…

দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতায় প্রভিশনিং ছাড়ের সময় বাড়াতে হবে:রকিবুর রহমান

৬/০৩/২০১৩ ১২:৪০:০০ PM |
Rakirur Rahman
যেসব প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী নিয়মিত ক্রয় বিক্রয় করে তাদের জন্য ৬ মাস অন্তর প্রভিশনিং এবং যারা দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ করে তাদেরকে শেয়ার বিক্রির পর প্রভিশনিং করার নিয়ম করার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের(ডিএসই) প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ডে ট্রেডারের ভূমিকায় থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করে রকিবুর রহমান বলেন, যেদেশে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ডে ট্রেডারের ভূমিকা পালন করে সে দেশের পুঁজিবাজার কখনো ভালো হতে পারে না। তাই বাজারের বর্তমান অবস্থায় সকল প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদেরকে বিনিয়োগে সঠিক আচরণ করার আহ্বান জানান তিনি।

আসন্ন বাজেটে ডিএসইর প্রস্তাব বিবেচনায় থাকবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা আচরণ পরিবর্তন না করলে বাজার স্বাভাবিক অবস্থানে ফিরতে পারবেনা বলে মনে করেন তিনি।

এদিকে বর্তমান বাজারকে ইতিবাচক ধারায় ফিরিয়ে আনতে আবারো অর্থ মন্ত্রণালয় ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে এগিয়ে আসার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ডিএসই প্রেসিডেন্ট। 

Source: Sharenews24.com
Read more…

মেঘনা লাইফের লভ্যাংশ ঘোষণা

৬/০২/২০১৩ ১১:৫৫:০০ PM |

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর ২০১২ সমাপ্ত বছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করেছে। 

এ সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ঘোষণা করা হয়েছে আগামী ১১ জুন। 

ঘোষিত লভ্যাংশ শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৪ জুলাই বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহবান করা হয়েছে। কোম্পানিটি আগের বছরও ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ প্রদান করে।
Read more…

সন্ধানী লাইফের ডিভিডেন্ড ঘোষণা।

৬/০২/২০১৩ ১১:৪৯:০০ PM |
পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান সন্ধানী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ২০১২ সালের জন্য ৩০% স্টক ডিভিডেন্ড ঘোষণা করেছে। এই সংক্রান্ত রেকর্ড এর তারিখ আগামী ১১.০৬.২০১৩। কোম্পানীর বার্ষিক সাধারণ সভা আহবান করা হয়েছে আগামী ২৯.০৬.২০১৩ সকাল ১১ ঘটিকায় এলজিইডি অডিটোরিয়াম, লেভেল - ২, এলজিইডি ভবন, শের-ই-বাংলানগর, আগারগাও, ঢাকা-১২০৭।

২০১২ সালে কোম্পানির শেয়ার প্রতি ইপিএস ৩.১১ টাকা, শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য ৩৬.৬৯ টাকা এবং শেয়ার প্রতি নন অপারেটিং ক্যাশফ্লো ৫.৭৪ টাকা। 

২০১০ এবং ২০১১ সালে কোম্পানিটি ৪৮% হারে ডিভিডেন্ড দিয়েছিলো। 
Read more…

সপ্তাহজুড়ে সূচক বাড়লেও কমেছে লেনদেন

৬/০১/২০১৩ ০৬:২৮:০০ PM |

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) গত সপ্তাহজুড়ে সূচক সামান্য বাড়ালেও লেনদেনের পরিমাণ কমেছে।


গত সপ্তাহে ডিএসইর সাধারণ সূচক বেড়েছে ৩ দশমিক ১৮ পয়েন্ট এবং লেনদেন কমেছে ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ।
অন্যদিকে গত সপ্তাহে সিএসইতে সূচক ২৩৪ পয়েন্ট বাড়লেও লেনদেন কমেছে ২ কোটি ৪০ লাখ ২২ হাজার ৭৫০ টাকা।

গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার ডিএসইর সাধারণ সূচক ছিল ৩ হাজার ৯৭৪ দশমিক ১৫ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার সূচক বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১০০ দশমিক ৫১ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বেড়েছে ১২৬ দশমিক ৩৬ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ১৮ শতাংশ।


অন্যদিকে, ডিএসই’র ডিএসইএক্স সূচকও বেড়েছে ১১৫ দশমিক ৯৮ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক বেড়েছে ৩৯ দশমিক ২২ পয়েন্ট।
এদিকে, গত সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার সিএসইর সাধারণ সূচক ছিল ৭ হাজার ৪১০ পয়েন্ট। সপ্তাহ শেষে বৃহস্পতিবার সূচক বেড়ে দাঁড়ায় ৭ হাজার ৬৪৪ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে সূচক বেড়েছে ২৩৪ পয়েন্ট বা ৩ দশমিক ১৬ শতাংশ।
গত সপ্তাহের অধিকাংশ কার্যদিবসেই ডিএসই ও সিএসই’র সূচক বেড়েছে।এছাড়া বেড়েছে ডিএসই ও সিএসইতে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটের দাম।
গত সপ্তাহে ডিএসইতে মোট লেনদেন কমেছে ১৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ। লেনদেন হয়েছে মোট এক হাজার ৪৮৯ কোটি ৮১ লাখ ৫০ হাজার ৮৬০ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহে লেনদেন হয়েছিল এক হাজার ৭৪০ কোটি ৩ লাখ ৭২ হাজার ৩৫৩ টাকা।
গত সপ্তাহের ৫ কার্যদিবসে ডিএসই’র ২৯৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪২টির, কমেছে ৩৮টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১০টির দাম।লেনদেন হয়নি ৩টি প্রতিষ্ঠানের। এর আগের সপ্তাহে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠাগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছিল মাত্র ৭৬টির, কমেছে ২০০টির ও অপরিবর্তিত ছিল ১২টির দাম। লেনদেন হয়নি ৫টি প্রতিষ্ঠানের।
Read more…

মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উপর কর রেয়াত সুবিধা থাকতে পারে

৬/০১/২০১৩ ০২:২০:০০ PM |

বাজেটে মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিনিয়োগের উপর কর রেয়াত সুবিধা থাকতে পারে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানায়, মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করলে লাভের উপর কর রেয়াত সুবিধার ঘোষণা থাকতে পারে বাজেটে। এমন খবরে গত কয়েকদিন ধরে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট দর বাড়ছে।

বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করলে লাভের উপর ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। এক্ষেত্রে তালিকাভুক্ত মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিটে বিনিয়োগ করলে লাভের উপর একই হারে কর দিতে হতো। আসন্ন বাজেটে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের উপর কর রেয়াত সুবিধা ঘোষণা করা হলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডে লাভের উপর কোন কর দিতে হবে না। 

সূত্রটি জানায়, মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতে চাঙ্গাভাব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই সরকার বাজেটে মিউচ্যুয়াল ফান্ড বিনিয়োগের উপর কর রেয়াত সুবিধা ঘোষণা করতে পারে। এরফলে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের দর বাড়বে এবং এখাতে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বিনিয়োগে এগিয়ে আসবে। এতে বাজারে অধিক সংখ্যক মিউচ্যুয়াল ফান্ডের যোগান আসবে। আর মিউচ্যুয়াল ফান্ডের যোগান বাড়লে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কম পিই’র শেয়ারের অবস্থান আরো ভালো হবে। কারণ মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অর্থ সব সময় কম পিই’র শেয়ারে বিনিয়োগ করা হয়। এতে কম পিই’র ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ইন্সুরেন্সখাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ারের চাহিদা তৈরী হবে।
Read more…

ফারইস্ট ফাইন্যান্সের আইপিও অনুমোদন

৬/০১/২০১৩ ০১:৫০:০০ AM |

Read more…

মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বোর্ড সভা ২ জুন

৫/৩০/২০১৩ ০৭:১২:০০ PM |

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান মেঘনা লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের বোর্ড সভা আগামী ২ জুন রোববার অনুষ্ঠিত হবে।


ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।


প্রতিষ্ঠানটির বোর্ড সভা ওই দিন বিকেল ৪টায় অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে। সভায় ৩১ ডিসেম্বর ২০১২ সমাপ্ত অর্থবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য লভ্যাংশ ঘোষণা হতে পারে।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারহোল্ডারদের ২০ শতাংশ শেয়ার লভ্যাংশ দিয়েছিল।



বীমা খাতের এ প্রতিষ্ঠানটি ২০০৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন ৬০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ২৩ কোটি টাকা।
Read more…

স্টক এক্সচেঞ্জের সম্পদ পুনর্মূল্যায়নের সময় নির্ধারণ

৫/৩০/২০১৩ ০৬:৪৮:০০ PM |

প্রশাসন থেকে মালিকানা পৃথকিকরণ (ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন) স্কিম বাস্তবায়নের লক্ষে দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জের আর্থিক মূল্যায়ন রিপোর্ট এবং সম্পদ ও দায়ের পুনর্মূল্যায়নের সময় নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। 
 
প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সম্পদ ও দায়ের পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। অর্থাৎ তালিকাভুক্ত কোম্পানির মতোই স্টক এক্সচেঞ্জেরও প্রথম প্রান্তিক আর্থিক হিসাব পর্যন্ত সম্পদ ও দায় পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।
 
গত ২৮ মে দুই স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) কাছে পাঠনো বিএসইস‘র পরিচালক মনসুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
 
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট-২০১৩ অনুসারে কমিশন স্টক এক্সচেঞ্জের সম্পদ ও দায় পুনর্মূল্যায়নের জন্য ৩১ মার্চ ২০১৩ অবধি তারিখ নির্ধারণ করেছে।
 
ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্টের ৫(চ) ধারা অনুসারে এ তারিখ ধরে স্টক এক্সচেঞ্জের আর্থিক মূল্যায়ন রিপোর্ট এবং ৫(ছ) ধারা অনুসারে সম্পদ ও দায় পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে।
 
এ ছাড়া ডিএসই’র কাছে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, ডিএসইর আবেদন অনুসারে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠান কেপিএমজিকে সম্পদ ও দায় পুনর্মূল্যায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
 
ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্টের ৫(ছ) ধারা অনুসারে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এক্সচেঞ্জেস ডিমিউচ্যুয়ালাইজেশন অ্যাক্ট-২০১৩ অনুসারে স্টক এক্সচেঞ্জ এখন মুনাফাভিত্তিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত হবে। ফলে লাভ-ক্ষতি নির্ধারণের জন্য সম্পদ ও দায় পুনর্মূল্যায়ন প্রয়োজন।

আইনের ৫(চ) ধারায় বলা আছে, কমিশনের নির্ধারিত যে কোনো তারিখে এক্সচেঞ্জের আর্থিক মূল্যায়ন প্রতিবেদন যা ডিসকাউন্টেড ক্যাশ ফ্লো, ডিভিডেন্ড ডিসকাউন্ট, এন্টারপ্রাইজ ভ্যালু, সদস্যদের সম্মিলিত মূলধনের নিট সম্পদমূল্য এবং ভবিষ্যতে আয়ের বর্তমান মূল্যের সংমিশ্রণ অথবা কমিশনের কাছে গ্রহণযোগ্য যে কোনো আন্তর্জাতিক স্বীকৃত পদ্ধতি অনুসারে, কমিশনের নিবন্ধিত কোনো মার্চেন্ট ব্যাংকার অথবা বিদেশি ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক দিয়ে প্রস্তুত করতে হবে।
 
এ ছাড়া আইনের ৫(ছ) ধারার বলা আছে, ‘কমিশনের নির্ধারিত যে কোনো তারিখে অনুমোদিত কোনো নিরীক্ষকের প্রস্তুতকৃত এক্সচেঞ্জের দায় ও সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন এবং তার ভিত্তিতে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যে শেয়ারের সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে।
Read more…

মেঘনা সিমেন্টের এজিএম ২ জুন

৫/৩০/২০১৩ ০৬:৩১:০০ PM |

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা সিমেন্ট কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন তারিখ অনুযায়ী, আগামী ২ জুন রোববার এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
 
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
 
এর আগে গত ২৯ মে সকাল ১০টায়, বাগেরহাট ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, যথাযথ পরিবেশ ও পরিস্থিতি না থাকার কারণে সভাটি স্থগিত করা হয়।
 
তবে কোম্পানির এজিএম সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে।
 
উল্লেখ্য, মেঘনা সিমেন্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। অর্থাৎ বিনিয়োগকারী প্রতিটি ১০ টাকা মূল্যের শেয়ারের বিপরীতে ২ দশমিক ৫০ টাকা নগদ লভ্যাংশ পাবেন।
Read more…

Central Pharmaceuticals Limited IPO

৫/২৩/২০১৩ ০১:৪৯:০০ PM |
Central Pharmaceuticals Limited
(As per abridged version of Prospectus)
Nature of Business
The principal activities of the Company throughout the year
continued to be manufacturing and marketing of quality medicine.
Major Product
The Company is producing and marketing finished formulation
products for general Peoples, Hospitals, Clinic, Govt. Organizations,
NGO’s, Corporations & other Non-govt. Organizations.
Subscription Open
May 26, 2013
Subscription Close
May 30, 2013
Subscription period for
NRB
May 26, 2013 to June 08, 2013
Authorized Capital
Tk. 1,000,000,000
Pre- IPO paid-up Capital
Tk. 480,000,000

IPO size in shares
14,000,000
IPO size in Tk. at face value
Tk. 140,000,000
IPO size in Tk. at offer price
Tk. 140,000,000
Post IPO Paid-up Capital
Tk. 620,000,000
Face Value per share
Tk. 10.00
Offer Price per share
Tk. 10.00
Market Lot (Shares)
500
Use of IPO Proceeds
The Company will raise paid-up capital through Initial Public
Offering (IPO) in order to repayment of its debt to enhance
profitability.
NAV per share
Tk. 11.28 as on June 30, 2012.
EPS
Tk. 1.21 for the year ended on June 30, 2012.
Issue Manager
Janata Capital and Investment Limited
Auditors
KAZI ZAHIR KHAN & CO.
Website


Read more…

ADS