ব্যাংকে অলস পড়ে আছে ৭০ হাজার কোটি টাকা!

৭/০৩/২০১৩ ০৮:২২:০০ PM |

রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই অশান্ত হয়ে উঠছে। এতে ব্যবসায়ীরা দারুণ শঙ্কিত। নির্বাচনের আগে বিনিয়োগ করে কেউ পুঁজির ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। তাই, বিনিয়োগে ভাটা পড়েছে। ব্যাংকগুলোতে অলস টাকার পাহাড় জমছে। উচ্চ সুদের কারণে কেউ ঋণও নিতে চাইছে না। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র জানায়, নতুন বিনিয়োগ না হওয়ায় ব্যাংকিং খাতে ৭০ হাজার ছয়শ ৪৪ কোটি টাকা অলস পড়ে আছে। এটি মোট তারল্যের (মোট নগদ মুদ্রা) প্রায় ১২ শতাংশ বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই। তাই, তারা হাত গুটিয়ে বসে আছেন। নগদ টাকা যাদের কাছে আছে, তারা তা ব্যাংকে রেখে দিয়েছেন। তাই, ব্যাংকগুলোতে তারল্য (নগদ মুদ্রা) বাড়ছে।

সূত্র জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ব্যাংকিং খাতে অলস টাকা ছিল ৬০ হাজার কোটি। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ছিল ৫৮ হাজার কোটি। ডিসেম্বরের পর থেকে প্রতিমাসেই ব্যাংকগুলোয় তারল্য বাড়ছে। 

তারল্য বাড়ার পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ব্যাংকে অব্যবহৃত টাকা ছিল ৬১ কোটি ৭০ লাখ, মার্চে ৬৬ কোটি, এপ্রিলে ৬৯ কোটি, মে মাসে ৬৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সবশেষ জুনে তারল্য দাঁড়িযেছে ৭০ কোটি ছয়শ ৪৪ লাখ টাকায়।

সূত্র জানায়, প্রত্যেক তফসিলি ব্যাংকেই সব মিলিয়ে তার তলবি ও মেয়াদী দায়ের ১৯ শতাংশ তারল্য জমা রাখতে হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে। কিন্তু, অতিরিক্ত তারল্য থাকার কারণে ব্যাংকগুলো তারল্য রেখেছে প্রায় ৩১ শতাংশ।  

জানা যায়, মহাজোট সরকারের সাড়ে চার বছরের বেশির ভাগ সময়ই তারল্য সংকটে ভুগেছে ব্যাংকগুলো। 

এবারই প্রথম উল্টো চিত্র দেখা যাচ্ছে। ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের পুরো সময়জুড়েই ছিল ঋণ সংকট। ব্যবসায়ীদের ঋণ দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত তহবিল ছিল না ব্যাংকে। ব্যাংকে টাকার জন্য ঘুরে হতাশ হতে হয়েছে অনেক ব্যবসায়ীকেই।

বিনিয়োগ না হওয়ার কারণ সম্পর্কে এফবিসিসিআই-এর সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু বাংলানিউজকে বলেন, “অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগ করবে কীভাবে! যেখানে প্রকাশ্যে চাঁদবাজি করছে ছাত্র সংগঠনগুলো! আমরা মনে করি না, বিনিয়োগের কোনো পরিবেশ বর্তমানে আছে। তাই, অলস টাকার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে।” 

এফবিসিসিআই-এর সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন বাংলানিউজকে বলেন, “এটি নির্বাচনী বছর। 
অপরদিকে, ব্যাংকের উচ্চ সুদের হার। কীভাবে বিনিয়োগ করবো আমরা? এই অবস্থায় সম্ভব না। বিনিয়োগ করতে গেলে সে সম্পদ দেখিয়ে বিনিয়োগ করতে হয়, তা শেষ হয়ে যাবে। এটি কোনো ব্যবসায়ীই চায় না। 

এক ব্যবসায়ীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “একজন ব্যবসায়ীর কাছে আমি জানতে চাইলাম বিনিয়োগ করছেন না কেন? তিনি বললেন- বিনিয়োগ করছি না মানে! করছি তো। ব্যাংকে টাকা রেখে দিয়েছি। এটাই তো বিনিয়োগ।” 

হেলাল উদ্দিন আরো বলেন, “বিত্তবানদের হাতে ব্যাংকগুলো জিম্মি হয়ে পড়েছে। ব্যাংকিং খাত লুটেরাদের হাতে চলে গেছে। বিভিন্ন সময় ক্ষমতাসীনরা এ সব ব্যাংকের অনুমোদন করিয়ে নিয়েছে। তারা একটি সিন্ডিকেট। তাদের সঙ্গে পারা সম্ভব নয়।”

হেলাল উদ্দিন জানান, ব্যাংকের সুদের হার ২০ থেকে ২২ শতাংশ। এ সুদে কেউ বিনিয়োগ যাবে। নির্বাচনী বছরে অনিশ্চয়তার কারণেও অনেকে বিনিয়োগে অনীহা দেখাচ্ছেন।

ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি একে আজাদ তার মেয়াদের পুরো সময় প্রকাশ্যে ঋণ সংকটের কথা বলেছেন। এনিয়ে তিনি দেন-দরবারও করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে। কিন্তু, ২০১৩ সালের চিত্রটি পুরোপুরি উল্টো। ঋণ দেওয়ার জন্য ব্যবসায়ীদের পেছনে ঘুরছে ব্যাংকগুলো। কিন্তু, বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার ব্যবসায়ী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে, ব্যাংকিং খাতে জমেছে বিপুল অঙ্কের বাড়তি তারল্য। 

জানা যায়, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অনেকটা সংযত মুদ্রানীতি দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যক্তিখাতে ঋণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১৮ শতাংশের কিছু বেশি। কিন্তু, সবশেষ হিসাব মতে, তা ১৩ শতাংশের কাছাকাছি অবস্থান করছে। 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজনৈতিক এই পরিস্থিতিতে কেউ তারা ঝুঁকি নিয়ে আর কোনো বড় বিনিয়োগে এ মুহূর্তে যেতে চাইছেন না। নির্বাচনের বছরে সহিংসতা থাকবে। নতুন নির্বাচিত সরকার গঠন হলেই তারা বিনিয়োগে যাবেন। 

এদিকে, ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, উচ্চ সুদ, অবকাঠামো সংকট, রাজনৈতিক অস্থিরতাসহ নানা কারণে ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার আগ্রহ হারিয়েছেন বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তারা। এ কারণে দেশের ব্যাংকগুলোয় পড়ে থাকা অলস টাকার পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। 

ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগে আগ্রহ হারানোর প্রমাণ মেলে মূলধনী যন্ত্রপাতি ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি চিত্র দেখেও। 

চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ঋণপত্র নিষ্পত্তিভিত্তিক মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে ১৮ দশমিক ০৯ শতাংশ। শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে ৫ দশমিক ১১ শতাংশ। মধ্যবর্তী পণ্য আমদানি কমেছে ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ। বিবিধ শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে ৯ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
Read more…

ডিএসই’র এক বছরের সারসংক্ষেপ

৭/০৩/২০১৩ ০৮:১৯:০০ PM |
দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা গত এক বছরে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে অনেকটা ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন বাজারে সুদিন ফিরিয়ে আনার লক্ষেওই সময় সাবেক প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বোর্ড বাজারে গতি ফিরিয়ে আনতে নানাভাবে চেষ্টা করেছেকিন্তু কাক্সিক্ষত সফলতা না আসলেও চেষ্টা করার কারণে অনেকের কাছে বাহবা পেয়েছেন ডিএসই বোর্ডঅনেকে ডিএসইর ব্যস্ততাকে লোক দেখানো বলে মনে করেছিলেনতবে সাবেক বোর্ডের অধীনে গৃহীত কয়েকটি পদক্ষেপ ডিএসইতে নতুন মাত্রা যোগ করেছেএছাড়া গত একবছরে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের ডিএসই পরিদর্শনের ঘটনা ছিল চোখে পড়ার মতো 

গত এক বছরে রকিবুর রহমানের নেতৃত্বে ডিএসই বোর্ডকে অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি), মার্চেন্ট ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএমবিএ), এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ ব্যাংক, আইডিআরএ, শীর্ষ ব্রোকারেজ হাউজসহ অন্যান্য স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় বৈঠক করতে দেখা গেছেযেখানে ডিএসই বোর্ড সংস্থাগুলোর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনাও করেছেস্টেক হোল্ডারদের অনেকে বাজারের সুদিন ফিরিয়ে আনার জন্য বিনিয়োগকারীদের আশাবাদী করে তুলেছিলেনকিন্তু কোনো আশ্বাসেরই বাস্তবায়ন দেখতে পাননি বিনিয়োগকারীরাতারপরও রকিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বোর্ড যতদিন ক্ষমতায় ছিলেন ততদিন স্টেক হোল্ডারদের কাছ থেকে কিছু আদায় করার চেষ্টা করেছেন

২০১২ সালের ১৫ মার্চ ডিএসইর সাধারণ মূল্য সূচক যখন ৪৫৪৩ পয়েন্ট তখন প্রেসিডেন্ট হিসাবে রকিবুর রহমানের নেতৃত্বে নতুন পর্ষদ গঠিত হয়আর এই পর্ষদ চলতি বছরের ১৫ জুন সূচক ৪২৯৯ তে রেখে দায়িত্ব শেষ করেনতার দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই লেনদেন ও সূচকে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যায়যেখানে লেনদেন ৩শত কোটি থেকে হাজার কোটিতে উন্নীত এবং সাড়ে ৪ হাজার পয়েন্ট থেকে সাড়ে ৫ হাজারে উঠে যায়তবে তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নিতারপরও এই পর্ষদের নেতৃত্বকালীন সময় আবারো লেনদেন হাজার কোটিতে উন্নীত হয়তবে তাও ছিল ক্ষণস্থায়ী 

রকিবুরের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের অধীনে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিতে দেখা গেছেযেখানে ১০জুন ২০১২ তারিখে অনলাইন ভিত্তিক লেনদেন চালুর জন্য এমএসএ প্লাস সফটওয়্যার সংযোজন, ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে ডিএসইএক্স ও ডিএসই-৩০ নামে দুটি নতুন সূচক ও ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখে ডিএসইতে বাংলা ওয়েবাসাইট চালু করা হয়বাজারকে উন্নত মানসম্পন্ন করার জন্য উল্লিখিত পদক্ষেপ নিতে দেখা গেলেও তার ফল সম্পূর্ণ পাওয়া যায়নি 

কারণ, এমএসএ প্লাস সফটওয়্যারের ক্রটি এখনো রয়েই গেছেএছাড়া দীর্ঘ এক বছরে মাত্র ৩৫টি হাউজ অনলাইন লেনদেন সুবিধার আওতায় এসেছেআর নতুন সূচক নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে 

অন্যান্য বছরের তুলনায় গত একবছরে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতকে ডিএসই পরিদর্শনে আনা হয়েছেকানাডা, ব্রিটিশ, ভারতীয় ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা ডিএসই পরিদর্শন করেনএছাড়া বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদেরকেও দেখা গেছে ডিএসই পরিদর্শন করতে 


এদিকে পুঁজিবাজারের স্বার্থে ডিএসই থেকে গঠিত কমিটি বিভিন্ন দেশের স্টক এক্সচেঞ্জ, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেএর মধ্যে সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ, ফিলিপাইন স্টক এক্সচেঞ্জ, মালদ্বীপ স্টক এক্সচেঞ্জ, বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ, ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ, লন্ডনের শেয়ারবাজার মেলায় অংশগ্রহণ করেনবাজারের স্বার্থে রকিবুর রহমানের বোর্ড বিদেশ ভ্রমন করলেও অনেকে বিষয়টিকে ভ্রমন বিলাস বলে মন্তব্য করেন 
Read more…

২০১২-১৩ অর্থবছরে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ হয়েছে ৬ কোটি কালো টাকা

৭/০৩/২০১৩ ০৮:১৬:০০ PM |
পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের সুযোগ থাকা না থাকা একই কথাকেননা, গত অর্থবছরে মাত্র ৬ কোটি কালো টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের মাধ্যমে সাদা করা হয়েছেএজন্য চলতি অর্থবছর পুঁজিবাজারে কালো টাকা সাদা করার বিষয়ে বিশেষ কোনো ছাড় দেয়া হয়নিবুধবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন

এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ২ শতাংশ অর্জিত হলে রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবেএটি আদায় করা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়এ সময় বেশ কিছু কৌশলের কথা তুলে ধরে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, ইতিমধ্যে রাজস্ব বোর্ডের প্রসার ঘটেছেজনবল, অফিস বাড়ানো হয়েছেগত এক বছরে ৮৫টি উপজেলায় আয়কর অফিস খোলা হয়েছেই-টিআইএন নম্বর চালু করা হয়েছে

এবারের বাজেটে বেশ কিছু নতুনত্ব যোগ করা হয়েছেন্যূনতম কর ৩ হাজার টাকা ছিলতা স্পষ্ট করা হয়েছেগ্রামের মানুষের ন্যূনতম কর ১ হাজার টাকা করা হয়েছেআয়কর রিটার্ন সহজ করা হয়েছেঅতিরিক্ত গাড়ির জন্য অতিরিক্ত কর ধার্য করা হয়েছে 


সদ্য বিদায়ী ২০১২-১৩ অর্থবছরে এনবিআর রাজস্ব আদায়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারেনিতবে এখনও কিছু রাজস্ব আসবেকিন্তু এরপরও ঘাটতি থেকে যাবেতা অর্জন করা সম্ভব হবে না বলে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান 

সাময়িক হিসাব তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন বলেন, গেল অর্থবছরে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ২৫৯ কোটি টাকাএর বিপরীতে এনবিআর আদায় করেছে ১ লাখ ৮ হাজার ২৯৯ কোটি টাকাসে হিসাবে রাজস্ব ঘাটতির পরিমাণ ৪ হাজার ৩৫ কোটি টাকাতবে নির্মাণ, যোগানদারসহ অন্যান্য মূসক সেবাখাত থেকে আরও হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আসতে হবেসে হিসাবেও রাজস্ব ঘাটতি থাকবে ৩ হাজার ৩৪ কোটি টাকাএই টাকা আদায় করা সম্ভব নয়

প্রসঙ্গত, চলতি বাজেটে ব্যক্তি শ্রেনীর করদাতাদের শেয়ার লেনদেন হতে অর্জিত আয়ের করমুক্ত সীমা বৃদ্ধি, শেয়ারের অভিহিত মূল্যের প্রিমিয়ামের ওপর আরোপিত কর প্রত্যাহার, মিউচ্যুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ কর অবকাশ ও বন্ড বিক্রির উপর আরোপিত উৎসে কর প্রত্যাহার এবং করমুক্ত আয়েরসীমা ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছেএকইসঙ্গে স্টক এক্সচেঞ্জ ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পর কর অব্যাহতি দেওয়ার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী
Read more…

প্রবাসী আয়ে রেকর্ড

৭/০৩/২০১৩ ০৮:১৩:০০ PM |

সদ্য সমাপ্ত ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রবাসীদের আয় নতুন রেকর্ড ছুঁয়েছে। যা স্বাধীনতার পর এ যাবতকালের সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, সমাপ্ত ২০১২-১৩ অর্থ বছরে প্রবাসীরা মোট ১ হাজার ৪৪৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন।  যা এর আগের অর্থ বছরের তুলনায় প্রায় সাড়ে বারো শতাংশ বেশি। 

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র এএফএম আসাদুজ্জামান বাংলানিউজকে বলেন, সমাপ্ত বছরের জুলাই-জুন মেয়াদে প্রবাসী আয় নতুন মাত্রা পেয়েছে। যা স্বাধীনতার পর কোনো একক বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। 

জানা গেছে, এর আগে ২০১১-১২ অর্থ বছরে প্রবাসী আয়ের পরিমাণ ছিলো ১ হাজার ২৮৪ কোটি ডলার। তার আগে ২০১০-১১ অর্থ বছরে ছিল ১ হাজার ১৬৫ কোটি ডলার। তবে এপ্রিল মাস থেকে প্রবাসী আয় নেতিবাচক ধারায় রয়েছে। এপ্রিল থেকে জুন এ তিন মাসেই ধারবাহিক ভাবে প্রবাসী আয় কমেছে। 

সূত্র মতে, জুনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ১০৫ কোটি ডলার দেশি পাঠিয়েছেন। এর আগে, মে মাসে এর পরিমাণ ছিলো ১০৮ কোটি ডলার, এপ্রিলে ১১৯ কোটি ডলার, মার্চে ১২২ কোটি ডলার, ফেব্রুয়ারিতে ১১৬ কোটি ডলার, জানুয়ারিতে ১৩২ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। 

জানা গেছে, চলতি অর্থ বছরের ডিসেম্বর মাসে দেশে আসে ১৩২ কোটি ডলার, নভেম্বর মাসে ১১০ কোটি ডলার।স্বাধীনতার পর একক মাসে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে অক্টোবর মাসে। ওই মাসে মোট ১৪৫ কোটি ডলার প্রবাসীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠায়। তার আগে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ১১৭ কোটি ডলার এবং অর্থ বছরের প্রথম মাস ছিলো ১২০ কোটি ডলার।

এদিকে, প্রবাসী আয়ের সন্তোষজনক ধারায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নতুন মাত্রা পেয়েছে। যা বর্তমানে দেড় হাজার কোটি ডলার। 

সূত্র মতে, আমাদের দেশে আমদানী ও রপ্তানী ব্যয়ে যে ঘাটতি থাকে তার জন্য সহায়ক হিসেবে কাজ করে প্রবাসী আয়। পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, প্রতি বছরই রপ্তানীর থেকে আমদানি বেশি হয়। সেই ঘাটতির অর্থায়নে যায় প্রবাসীদের অর্থ।
Read more…

অনুমোদিত মূলধন বাড়াবে ফ্যামিলিটেক্স

৭/০৩/২০১৩ ০৮:০৯:০০ PM |

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের প্রতিষ্ঠান ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে(ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
 
জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন ১৪০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ২৮০ কোটি টাকা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটির অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করা হবে। 
 
অনুমোদিত মূলধন অনুমোদনের জন্য প্রতিষ্ঠানটির বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আগামী ৪ আগস্ট বেলা ১১টায়, রিভার ভিউ রেস্টুরেন্ট, চট্টগ্রাম বোট ক্লাব, ঘাট-১১ পূর্ব, চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া একই দিন এবং একই স্থানে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ইজিএম এবং এজিএম সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১১ জুলাই।
Read more…

নুরুল ইসলাম খলিফা ইসলামী ব্যাংকের ডেপুটি ডিরেক্টর নিযুক্ত

৭/০৩/২০১৩ ০৮:০৬:০০ PM |


বিশিষ্ট ব্যাংকার নূরুল ইসলাম খলিফা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ইনফরমেশন কমিউনিকেশন অ্যান্ড টেকনোলজি উইং এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

বুধবার ব্যাংকটির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট আতাউর রহমান বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 



এর আগে নূরুল ইসলাম ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্পোরেট বিনিয়োগ বিভাগ ও মানব সম্পদ বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং অ্যান্ড রিসার্চ একাডেমির (আইবিটিআরএ) ডিরেক্টর জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেন।



নূরুল ইসলাম খলিফা ১৯৮৫ সালের ২৯ এপ্রিল ইসলামী ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে যোগ দেন। তিনি ব্যাংকের খুলনা জোন প্রধানের দায়িত্বসহ বগুড়া, বরিশাল ও কুষ্টিয়া শাখার ব্যবস্থাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 



তিনি ব্যাংকিং ও অর্থনীতি বিষয়ক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা, সেমিনার, কনফারেন্স ও ওয়ার্কশপে অংশগ্রহণ করতে ফিলিপাইন, হংকং, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাজ্য সফর করেন। তিনি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সাকোকাঠি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
Read more…

ডিএসই’তে লেনদেন বেড়েছে

৭/০৩/২০১৩ ০৮:০৪:০০ PM |

নতুন অর্থবছরের দ্বিতীয় কার্যদিবস বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সামান্য বেড়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। কিন্তু লেনদেন কমেছে অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই)।

ডিএসই’র সাধারণ সূচক ২ পয়েন্ট কমলেও অন্যান্য সূচক বেড়েছে। বেড়েছে সিএসই সূচকও।
 
জানা যায়, মঙ্গলবার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছিল ৭৬২ কোটি টাকা। বুধবার লেনদেন হয় ৮০৫ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
 
অন্যদিকে, সিএসইতে মঙ্গলবার মোট লেনদেন হয়েছিল ৫৯ কোটি টাকা। বুধবার হয়েছে ৫৭ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড।
 
এদিন লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিট পর সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ডিএসই’র সাধারণ সূচক প্রায় ২৩ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক ২৬ পয়েন্ট বাড়ে, ১০টা ৪৫ মিনিটে সূচক ৩০ পয়েন্ট বাড়ে, ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৩৪ পয়েন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ১০ পয়েন্ট বাড়ে, দুপুর ১২টায় সূচক ১৯ পয়েন্ট বাড়ে, দুপুর ১টায় সূচক ১৫ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর থেকে সূচক একটানা নিম্নমুখী হতে থাকে। লেনদেন শেষে ডিএসই’র সূচক ২ পয়েন্ট কমে অবস্থান করে ৪ হাজার ৫০৩ পয়েন্টে।
 
লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ৭ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৪ হাজার ২৩১ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক প্রায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ১ হাজার ৫৮৪ পয়েন্টে।
 
লেনদেন শেষে ডিএসইতে ১১৮টি প্রতিষ্ঠানের দাম ও ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৭ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে মোট ৮০৫ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
 
ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
 
জানা যায়, বুধবার লেনদেন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ১১৮টির, কমেছে ১৫৭টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ১২টির দাম।
 
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায় ওঠানামা করে- তিতাস গ্যাস, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল, ইউনিক হোটেল, বরকতউল্ল্যাহ ইলেক্ট্রো ডায়নামিক, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার, আফতাব অটোমোবাইল, অ্যাকটিভ ফাইন কেমিকেল, পদ্মা অয়েল এবং যমুনা অয়েল।
 
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করে ৮ হাজার ৩০৭ পয়েন্টে।
 
এ সময়ে সিএসইতে লেনদেন হয়েছে মোট ৫৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
Read more…

শেয়ার উপহার নেবেন যমুনা ব্যাংকের পরিচালক

৭/০৩/২০১৩ ০১:৪৬:০০ AM |

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠান যমুনা ব্যাংকের পরিচালক রেজাউল করিম আনসারী প্রতিষ্ঠানটির সাত লাখ চার হাজার পাঁচশ’ ৪২টি শেয়ার তার স্ত্রী ও তিন ছেলের কাছ থেকে লেনদেন প্রক্রিয়ার বাইরে উপহার হিসেবে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) অনুমোদন দিলে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে উপহার হিসেবে শেয়ার গ্রহণ করার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

মঙ্গলবার ডিএসই’র ওয়েবসাইট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ডিএসই’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রেজাউল করিম আনসারী সাত লাখ চার হাজার পাঁচশ’ ৪২টি শেয়ারের মধ্যে তার স্ত্রী মরিয়ম আখতারের কাছ থেকে দুই লাখ ৭৯ হাজার একশ’ ১১টি শেয়ার উপহার হিসেবে নেবেন।

বাকি শেয়ারে নেবেন তিন ছেলের কাছ থেকে। এরমধ্যে মো. মাহমুদুল করিম আনসারীর (কোম্পানির একজন উদ্যোক্তা) কাছ থেকে একলাখ ৮২ হাজার তিনশ’ ২৮টি, মো. মমতাজুল করিম আনসারীর (কোম্পানির একজন উদ্যোক্তা) কাছ থেকে একলাখ ৮২ হাজার তিশ’ ২৮টি এবং মো. রেদয়ানুল করিম আনসারীর কাছ থেকে ৬০ হাজার ৭সাতশ’ ৭৫টি শেয়ার উপহার হিসেবে নেবেন যমুনা ব্যাংকের পরিচালক।
Read more…

তিন ব্যাংকের রেটিং প্রকাশ

৭/০৩/২০১৩ ০১:৪০:০০ AM |

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংকিং খাতের প্রতিষ্ঠান প্রাইম ব্যাংক, ইউসিবিএল ও সাউথইস্ট ব্যাংকের ক্রেডিট রেটিং তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাক স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ওয়েবসাইটে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

ডিএসই’র ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিস লিমিটেড (সিআরএসএল) ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীতি হিসাব ও অন্যান্য তথ্য পর্যলোচনা করে প্রাইম ব্যাংককে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ‘এএ’ ও স্বল্প মেয়াদের জন্য ‘এসটি-২’ রেটিং প্রদান করেছে।

একই রেটিং প্রতিষ্ঠান ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীতি হিসাব ও অন্যান্য তথ্য পর্যলোচনা করে ইউসিবিএলকে দীর্ঘ মেয়াদের জন্য ‘এ+’ ও স্বল্প মেয়াদের জন্য ‘এসটি-২’ রেটিং প্রদান করেছে।

সাউথইস্ট ব্যাংকের রেটিং প্রদান সংক্রান্ত কাজও করেছে সিআরইসএল। এ রেটিং প্রতিষ্ঠানটি ২০১২ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত অর্থবছরের নিরীতি হিসাব ও অন্যান্য তথ্য পর্যলোচনা করে সাউথইস্ট ব্যংককে দীর্ঘমেয়াদের জন্য ‘এএ-’ ও স্বল্প মেয়াদের জন্য ‘এসটি-২’ রেটিং প্রদান করেছে।
Read more…

ঊর্ধমুখী সূচকে বেড়েছে লেনদেন

৭/০৩/২০১৩ ০১:৩৪:০০ AM |

দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবস মঙ্গলবার মূল্যসূচক বেড়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। 

উল্লেখ্য, ১ জুলাই সোমবার ব্যাংক হলিডে থাকার কারণে দেশের উভয় শেয়ারবাজারে লেনদেন বন্ধ থাকে।
 
এদিন ডিএসই‘তে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৬২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবস অর্থাৎ রোববার ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছিল ৫৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ড। মঙ্গলবার লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিট পর সকাল ১০টা ৩৫মিনিটে ডিএসই’র সাধারণ সূচক প্রায় ৫৫ পয়েন্ট বেড়ে লেনদেন শুরু হয়। ১০টা ৪০ মিনিটে সূচক ৭৫ পয়েন্ট বাড়ে, ১০টা ৪৫ মিনিটে ডিএসই’র সাধারণ সূচক ৮৫ পয়েন্ট বাড়ে, ১০টা ৫০ মিনিটে সূচক ৯০ পযেন্ট বাড়ে। বেলা ১১টায় সূচক ৮২ পয়েন্ট বাড়ে, দুপুর ১২টায় সূচক প্রায় ১০০ পয়েন্ট বাড়ে এবং ১টায় সূচক ১১৫ পয়েন্ট বাড়ে। লেনদেন শেষে ডিএসই’র সাধারণ সূচক ১১৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ৫০৫ পয়েন্টে।
 
অন্যদিকে, লেনদেন শেষে ডিএসইএক্স সূচক ১১৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৪ হাজার ২২৪ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক প্রায় ৩৪ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১ হাজার ৫৭৮ পয়েন্টে। লেনদেন শেষে ডিএসতে ২৫৬টি প্রতিষ্ঠানের দাম ও সাধারণ সূচক  বেড়েছে ১১৯ পয়েন্ট। লেনদেন হয়েছে মোট ৭৬২ কোটি ৫৩ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
 
ডিএসই’তে লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দাম বেড়েছে ২৫৬টির, কমেছে ২১টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৫টির দাম।
লেনদেনের ভিত্তিতে (টাকায়) ডিএসই’র শীর্ষ দশ কোম্পানির তালিকায়  রয়েছে-  মেঘনা পেট্রোলিয়াম, আফতাব অটো, যমুনা অয়েল, অলেম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, ইউনিক হোটেল, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার, পদ্মা অয়েল, কনফিডেন্স সিমেন্ট এবং তিতাস গ্যাস।
 
অন্যদিকে, মঙ্গলবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন শেষে সাধারণ সূচক ২২০ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৮ হাজার ২৯১ পয়েন্টে।
 
এদিন সিএসই’তে লেনদেন হয়েছে মোট ৫৯ কোটি ২১ লাখ টাকার  শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ইউনিট।
Read more…

Bangladesh Building System Ltd. IPO

৭/০৩/২০১৩ ০১:০৯:০০ AM |
Bangladesh Building System Ltd.
(As per abridged version of Prospectus)
Nature of Business
The principal activities of the company are to manufacture of various PreEngineered Steel Buildings Structure according to the designs and provide full pledge architectural and consultancy services and marketing of the PreEngineered Steel Building under “BBS” brand. Simultaneously to expedite this race BBSL Product Research and Development Department (PRD) works to innovate or introduce new concept and machinery in the production line for the diversified demand of their reverence clients.
Major Product
BBSL builds preengineered steel buildings like factories, warehouses, convention centers, workshop, air craft hangers, commercial show rooms, distribution centers, restaurants, CNG stations, multi storied buildings and so on. It also provides 3 (three) years after sales services for any type of damages on its build structure. BBSL provides high valued services in terms of designing, fabricating and installation of Steel Buildings to its esteem clients.
Subscription Open
July 21, 2013
Subscription Close
July 25, 2013
Subscription period for NRB
July 21, 2013 to August 03, 2013
Authorized Capital
Tk. 1,500,000,000
Pre IPO paidup Capital
Tk. 500,000,000
IPO size in shares
14,000,000
IPO size in Tk. at face value
Tk. 140,000,000
IPO size in Tk. at offer price
Tk. 140,000,000
Post IPO Paidup Capital
Tk. 640,000,000
Face Value per share
Tk. 10.00
Offer Price per share
Tk. 10.00
Market Lot (Shares)
500
Use of IPO Proceeds
Proceeds from IPO of Tk. 140,000,000 will be utilized to meet the present business needs for the purpose of business augmentation and repayment of its debt to enhance profitability.
NAV per share
Tk. 13.07 as on June 30, 2012.
EPS
Tk. 2.58 for the year ended on June 30, 2012.
Issue Manager
Janata Capital and Investment Limited
Auditors
KAZI ZAHIR KHAN & CO
Website

Word Format Application Form

PDF Format Application Form



Read more…

জিএসপি স্থগিতের প্রভাব পুঁজিবাজারেও

৭/০১/২০১৩ ০১:৫০:০০ AM |
যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা বা জিএসপি স্থগিতের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের দুই পুঁজিবাজারে।
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববারে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ডিএসই ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ সিএসই এই দুই বাজারেই লেনদেন কমেছে। কমেছে সবকটি মূল্যসূচকও। 


ডিএসইতে রোববার লেনদেন হয়েছে ৫৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার শেয়ার। যা আগের কার্যদিবসের (বৃহস্পতিবার) তুলনায় ৭৫ কোটি ৯৩ লাখ টাকা কম। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার। যা আগের দিনের (বৃহস্পতিবার) লেনদেনের চেয়ে ২০ কোটি ৭ লাখ টাকা কমেছে। 



ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স ৪৪ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪১০৪ পয়েন্টে আর সাধারণ সূচক (পুরাতন) ৩৯ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৪৩৮৫ পয়েন্টে। ডিএসইতে মোট ২৮৬টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ১০৫টি কমেছে ১৬১টি আর অপরিবর্তিত রয়েছে ২০টি কোম্পানির শেয়ারের। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৬৮ কোটি ২২ লাখ টাকার।



ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো- মেঘনা পেট্রোলিয়াম, বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস, পদ্মা অয়েল, ইউনিক হোটেল, যমুনা অয়েল, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ, সামিট পূর্বাঞ্চল পাওয়ার কোম্পানি, কনফিডেন্স সিমেন্ট ও আফতাব অটোমোবাইলস।



চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সূচক ৮০ পয়েন্ট কমে অবস্থান করছে ৮০৭০ পয়েন্টে। সিএসইতে মোট ১৯৪টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে দর বেড়েছে ৪৮টির, কমেছে ১৩৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ৭টি কোম্পানির শেয়ারের। টাকার পরিমাণে মোট লেনদেন হয়েছে ৮১ কোটি ১৯ লাখ টাকার।
Read more…

মেঘনা সিমেন্টের ডিভিডেন্ট ওয়ারেন্ট প্রেরণ

৭/০১/২০১৩ ০১:৩১:০০ AM |

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা সিমেন্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য যে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল তার ওয়ারেন্ট পাঠানো হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, এ কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের বিও একাউন্টে উল্লেখিত ঠিকানায় ‘বেঙ্গল পোস্ট অ্যান্ড পার্সেল এক্সপ্রেস’ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এ ওয়ারেন্ট পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এ কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ সমাপ্ত অর্থবছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। 

কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী কোম্পানির শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৬ দশমিক ২৮ টাকা এবং শেয়ার প্রতি সম্পদ মূল্য (এনএভি) ৩৩ দশমিক ৮১ টাকা।
Read more…

ADS